নতুন নিয়মে ফেসবুক আইডি ও পেজ ব্লু ভেরিফাই করার নিয়ম

ফেসবুক ভেরিফাই

 ফেসবুকের একটি বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা হচ্ছে ফেসবুক ব্লু ভেরিফিকেশন। সেলিব্রিটিদের জন্য এটি করা হলেও অব্যাহত চেষ্টা করে অনেকেই এখন ব্লু ব্যাজ পেয়ে যাচ্ছেন।আপনিও চেষ্টা করুন,তাহলে পেয়ে যেতে পারেন।


তবে এর জন্য কিছু শর্ত ও নিয়ম প্রযোজ্য। যারা নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কিংবা পেজকে ভেরিফাই করতে চান তাদের জন্য BBN Bangla' র আজকের লেখা 'ফেসবুক ব্লু ভেরিফাইয়ের নিয়ম।লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন,আশা করি ব্লু ভেরিফিকেশন সম্পর্কে কোনো বিস্তারিত জানতে পারবেন।


>>প্রথমে জানবো ফেসবুক ভেরিফাই কি এবং কেন ভেরিফাই করা হয়?


ফেসবুক ভেরিফিকেশন মূলত দুই প্রকার।একটি হচ্ছে রানিং ভেরিফাই  (Internal Verify) এবং অন্যটি হচ্ছে facebook blue verification. ব্লু ভেরিফিকেশন ব্যাজ পেলে আইডি বা পেজের নামের শেষে একটি নিল টিক চিহ্ন প্রদর্শন করে।

ফেসবুক কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট কিছু ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠান  এবং ব্যক্তির অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্যই মূলত ব্লু ব্যাজ প্রদান করে থাকে।ব্লু ব্যাজ নিশ্চিত হলে ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকে এবং ডিজেবল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।তাছাড়া তারা ফেসবুকের সুন্দর সুন্দর ফিচার ব্যবহার করার সুযোগ পান যা সাধারণ ইউজাররা পান না।ব্লু ব্যাজের এর জন্য ব্যবহারকারীকে আবেদন করতে হয়।


>>ভেরিফাই করতে কি লাগে?

ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই করার জন্য যা যা প্রয়োজন তা হলো-

·passport 

·Driving Licence 

·NID or Smart Card

·Birthday Certificate

·Students ID card ইত্যাদি।


পাসপোর্ট,ড্রাইভিং লাইসেন্স,ভোটার আইডি কার্ড,জন্মসনদ,ছাত্র সনদের যেকেনো একটি থাকলেই আপনি তা দিয়ে ব্লু ভেরিফাইয়ের জন্য ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে আবদেন করতে পারবেন।



>>ফেসবুক ভেরিফাই আবেদন করবেন যেভাবেঃ

ফেসবুক ভেরিফাইয়ের প্রথম শর্ত হচ্ছে আপনাকে অবশ্যই অথেন্টিক হতে হবে এবং প্রোফাইল ১০০% সম্পূর্ণ হতে হবে।আপনার প্রোফাইল ছবি,নাম,বিস্তারিত দেখে যেন বোঝা যায় এটা আসল অ্যাকাউন্ট।নীল আকাশের তারা,রাতের তারা,ভোরের পাখি এরকম নাম নট এলাউ।এজন্য জন্মসনদ,ভোটার আইডি,পাসপোর্টের সাথে অ্যাকাউন্টের নামের মিল থাকতে হবে।আবেদন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ভালো ব্রাউজার সিলেক্ট করতে হবে।আমরা আপনাকে ক্রোম ব্রাউজারের পরামর্শ দিবো।ব্রাউজারে গিয়ে প্রথমে আপনার অ্যাকাউন্ট লগ ইন করুন এবং নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন-


১. সর্বপ্রথম আপনার ফোনের ক্রোম ব্রাউজারটি ডেস্কটপ মোড চালু করে নিচের লিংকটি অপেন করুন।
নতুন লিংকঃ

https://www.facebook .com/help/contact/342509036134712


এটি হচ্ছে ফেসবুক ব্লু ভেরিফিকেশন এপ্লাই করার লিংক।


২. লিংকটি Open হলে আপনাকে প্রোফাইল কিংবা পেজ সিলেক্ট করতে বলবে যা আপনি ভেরিফাই করতে চান।যেকোনো একটা সিলেক্ট করে দিবেন।


৩. তারপর ডকুমেন্টস টাইপ সিলেক্টেড করতে হবে অর্থাৎ আপনি যাচাই করার জন্য কোন ধরনের ডকুমেন্টস সাবমিট করতে চাচ্ছেন।পাসপোর্ট,জন্ম সনদ,ড্রাইভিং লাইসেন্স,পাসপোর্ট যা ইচ্ছা সিলেক্ট করুন।


৪. এবার কাজ হচ্ছে যে ডকুমেন্টস দিবেন বলে সিলেক্ট করেছেন সেইটা Choose file অপশনে ক্লিক করে আপলোড করুন।


৫. ফটো ডকুমেন্টস আপলোড করার পরে আপনাকে দেশের নাম সিলেক্ট করতে হবে।


৬. সর্বশেষ পাঁচটি ঘর দেখতে পাবেন সেখানে আপনি ব্যবহার করেন এরকম আরো পাঁচটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা সোস্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল লিংক পেষ্ট করতে হবে।অবশ্য এটি অপশনাল।না দিলে সমস্যা নাই তবে দিলে অনেক ভালো।


সব ঠিকঠাক মতো দেওয়া শেষ হলে send অপশনে ক্লিক করলে আপনার আবেদন করা হয়ে যাবে।এরপরে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ আপনার আইডেন্টিটি যাচাই করে ৭২ ঘন্টার মধ্যে জানিয়ে দিবে।আপনার অ্যাকাউন্ট টি যদি নোটেবল এবং ইউনিক হয় তাহলে আপনি ব্লু ভেরিফিকেশন ব্যাজ পেয়ে যাবেন এবং আপনার অ্যাকাউন্টের পাশে নীল রঙ্গের একটি টিক মার্ক শো করবে।

আর যদি কর্তৃপক্ষের কাছে মনে হয় আপনার একাউন্ট টি ইউনিক না,আরে অগ্রগতি প্রয়োজন তাহলে আপনার আবেদন টি গ্রহণ করবে না।এভাবে আবার প্রতি মাস পরে আপনি নতুন করে আবেদন করতে পারবেন।


আর্টিকেলটি পড়ার জন্য BBN Bangla টিমের পক্ষ থেকে আপনাকে আন্তরিক ধন্যবাদ।নিয়মতি এমন আপডেট পেতে আমাদের সাইটটির সাথেই থাকুন।

3 Comments

  1. It is very informative. I will try it on my facebook page.

    ReplyDelete
  2. Ami send korar por Facebook privacy setting er ekta interface dice

    ReplyDelete

Post a Comment

Previous Post Next Post