মাথার চুল পড়ার কারণ ও সমাধান

প্রকাশ:

মানবদেহে চুল শুধু সৌন্দর্যেরই প্রতীক নয়, বড় এটি আত্মবিশ্বাসেরও একটি বড় অংশ হিসেবে বিবেচিত। বর্তমান সময়ে বায়ু দূষণ,পানি দূষণ,অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, মানসিক চাপ, পরিমিত ঘুমের অভাব ও চুলের ভুল যত্নের কারণে কারণে প্রায় সকলের জন্য চুল পড়ার সমস্যা একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে। অনেকেই অনলাইনে প্রতিনিয়ত সার্চ করে বেড়ান— চুল পড়ার আসল কারণ কী, কীভাবে চুল পড়া বন্ধ করা যায়, চুল পড়া প্রতিরোধে কোন তেল সবচেয়ে কার্যকরী?কোন ভিটামিনের অভাবে চুল পড়া সমস্যা হয়।এসব বহুল জিজ্ঞাসিত প্রশ্নের বিজ্ঞানভিত্তিক জবাব নিয়েই আমাদের আজকের লেখা।

চুল পড়া (Hair Loss) কী?

সাধারণত চুল পড়া একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ। একজন মানুষের মাথা থেকে দৈনিক প্রায় ৫০-১০০টি চুল পড়ে যাওয়া একেবারেই স্বাভাবিক ঘটনা। এটি মূলত আমাদের চুলের জীবনচক্রেরই অংশ — চুল সর্বদা বড় হয় (Anagen), বিশ্রামে নেয় (Telogen) এবং পড়ে যায়। আবার পড়ে যাওয়া চুলের জায়গায় নতুন চুল প্রতিস্থাপিত হয়। এভাবেই চুলের জীবনচক্র চলমান থাকে। কিন্তু যখন কারো চুল পড়ার হার তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়,ধীরে ধীরে চুল পাতলা হয়ে যায়, মাথায় টাক পড়তে শুরু করে বা দাগের মতো জায়গায় প্রতিনিয়ত চুল উঠে যায়, তখন এটিকে অস্বাভাবিক চুল পড়া হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। মেডিকেল সায়েন্স বা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই বিষয়টাকে বলা হয় excessive hair loss বা Alopecia। 

চুলের বৃদ্ধির চক্র সাধারণত তিনটি ধাপে বিভক্ত:

☑☑☑Anagen (growth phase): ২-৭ বছর পর্যন্ত।

☑☑☑Catagen (transition): মাত্র কয়েক সপ্তাহ।

☑☑☑Telogen (resting): ২-৪ মাস, এতে চুল পড়ে যায়।

মাথার চুল পড়ার কারণ কি:

সাধারণত চুল পড়ার পেছনে একক কোনো কারণ দায়ী নয়, বরং শারীরিক, মানসিক, জেনেটিক ও পরিবেশগত বিভিন্ন কারণে একজনের চুল পড়ে যেতে পারে। নিচে এসব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

বংশগত বা জেনেটিক কারণ:

কারো পরিবারে পূর্বপরুষ তথা বাবা-মা বা দাদা-দাদির টাক পড়ার ইতিহাস থাকলে সন্তানদের ক্ষেত্রেও এই প্রবণতা দেখা দেওয়া সম্ভাবনা থাকে। বিজ্ঞানের ভাষায় এটিকে বলা হয় Androgenetic Alopecia, যা পুরুষ ও নারী উভয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে।

হরমোনজনিত পরিবর্তন:

হরমোনাল পরিবর্তনের ফলেও অনেকের চুল ঝড়ে যায়। থাইরয়েডের বিভিন্ন সমস্যা, PCOS (Polycystic Ovary Syndrome), নারীদের গর্ভাবস্থা বা প্রসব-পরবর্তী সময়ে শরীরে হরমোনের ব্যাপক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয়, যা চুল পড়ার একটি অন্যতম বড় কারণ হিসেবে প্রমাণিত।

পুষ্টির ঘাটতি:

আয়রন, প্রোটিন, জিঙ্ক এবং বিভিন্ন ভিটামিনের অভাবে চুলের গোড়া সাধারণত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং সহজেই তা ভেঙে যায় কিংবা অকালে ঝরে পড়ে।

মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা:

দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ মানব শরীরে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা অনেকগুণ বাড়িয়ে দেয়, যা স্বাভাবিকভাবেই আমাদের চুলের ফলিকলকে সুপ্ত অবস্থায় (telogen phase) নিয়ে যেতে পারে,  ফলে হঠাৎ করেই অনেক চুল পড়া আরম্ভ হয়ে যায়!

ভুল হেয়ার কেয়ার অভ্যাস:

বাজারের রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু, ঘন ঘন চুল কালারিং,স্ট্রেইটনার বা কার্লারের অতিরিক্ত ব্যবহার এবং চুলের পনিটেইল করার অভ্যাস চুলের ক্ষতি করতে পারে।

পরিবেশগত কারণ:

পরিবেশের ধুলাবালি, দূষিত বায়ু ও  পানি, রোদের অতি বেগুনি রশ্মি এবং মৌসুম পরিবর্তনের প্রভাবে অনেকের চুল পড়ার হার সাধারণভাবে বেড়ে যায়।

ওষুধ ও চিকিৎসাজনিত কারণ:

চিকিৎসার ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ গ্রহণ, জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল সেবন বা কিছু অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ গ্রহণের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবেও অনেকের চুল পড়ে।

কখন চিন্তার বিষয়? (When to be concerned):

নিচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের (ডার্মাটোলজিস্ট) পরামর্শ নিতে হবে।

1. অতিরিক্ত চুল ঝরা — প্রতিদিন ১০০-২০০+ এর বেশি চুল পড়া, মেঝে, বিছানা,বালিশ কিংবা চিরুনিতে অনেক চুল জমা হয়ে যাওয়া।

2. দৃশ্যমান পাতলা ভাব— মাথার উপরের অংশের দিকে চুল কমে গিয়ে পাতলা হয়ে যাওয়া এবং কপালের হয়ারলাইন আগের চেয়ে পিছিয়ে যাওয়া

3. টাকের দাগ— গোলাকার বা বিভিন্ন আকৃতির ছোট ছোট জায়গায় চুল সম্পূর্ণ উঠে যাওয়া।

4. হঠাৎ অনেক চুল পড়া— কোনো অসুস্থতা অথবা ওষুধ বা স্ট্রেসের পর একবারে অনেকগুলো চুল ঝড়িয়ে পড়া।

5. অন্যান্য লক্ষণ সাথে— শরীরে চুলকানি, লালচে ভাব, তীব্র ব্যথা, ওজন বাড়া/কমা, ক্লান্তি-অবসাদ, অনিয়মিত মাসিক ইত্যাদি।

6. পরিবারে টাক পড়ার ইতিহাস থাকলে এবং একেবারে কম বয়সেও চুল পড়া দেখা গেলে!

মাথার চুল পড়ে গেলে করণীয় কি

মাথায় স্বাভাবিক মাত্রার চেয়ে অতিরিক্ত পরিমাণে চুল পড়া লক্ষ্য করা গেলে দ্রুত কিছু পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ। তাহলে চুল পড়া রোধ করা সম্ভব।

১. প্রথমেই চুল পড়ার কারণ নির্ণয় করুন – আপনাকে বুঝতে হবে এই সমস্যাটি সাময়িক নাকি দীর্ঘস্থায়ী। প্রয়োজনে ভালোমানের ডার্মাটোলজিস্ট বা ট্রাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিতে হবে এবং রক্ত পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে শরীরে বিদ্যমান ভিটামিন ও হরমোনের মাত্রা যাচাই করে নিতে হবে।

২. নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ এক্ষেত্রে কার্যকরী পদ্ধতি। প্রতি সপ্তাহে অন্তত দুই -তিন বার কর হালকা গরম তেল দিয়ে মাথার ত্বক মালিশ করিয়ে নিন। এতে করে শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়।

৩. খাদ্যতালিকা ঠিক করুন – আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই প্রোটিন, আয়রন ও ভিটামিন সমৃদ্ধ খাবার আইটেম যুক্ত করুন এবং জাংক ফুডকে যথাসম্ভব পরিহার করুন।

৪. হিট স্টাইলিং এড়িয়ে চলুন –সাময়িক সময়ের জন্য স্ট্রেইটনার, কার্লার বা হেয়ার ড্রায়ারের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার বন্ধ রাখুন।আঁটসাঁট হেয়ারস্টাইল করা থেকে বিরত থাকুন –কারণ  টাইট বেণি বা ব্যবহৃত পনিটেইল চুলের গোড়াকে চাপ ফেলে, এর ফলে Traction Alopecia হতে পারে।

৫. পর্যাপ্ত পরিমাণে  ঘুম নিশ্চিত করুন ও মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানো নিশ্চিত করুন এবং নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করুন।

৬. ধৈর্য ধারণ করুন – চুলের গ্রোথ সাইকেল একটু দীর্ঘ সময়সাপেক্ষ ব্যাপার, তাই যেকোনো প্রতিকারের ফলাফল দেখতে অন্তত ২-৩ মাস সময় লাগতে পারে।

মাথার চুল পড়া বন্ধ করার উপায়:

চুল পড়াজনিত সমস্যার সমাধান পুরোপুরি সম্ভব নাও হতে পারে। নিচের ঘরোয়া ও বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিসমূহ অনুসরণ করার মাধ্যমে চুল পড়া উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো যেতে পারে:

১. নারকেল তেল মালিশ – নারকেল তেলে থাকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান লরিক এসিড যা চুলের প্রোটিন লস কমায় এবং গোড়া মজবুত করে।

২. মেথি (Fenugreek) ব্যবহার – সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রাখা মেথিকে ভালোভাবে বেটে পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগালে চুলের গোড়া অনেক শক্তিশালী হয় এবং উপকার পাওয়া যায়। কারণ মেথিতে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে প্রোটিন ও নিকোটিনিক এসিড।

৩. অ্যালোভেরা জেল – চুলে সরাসরি টাটকা অ্যালোভেরা জেল স্ক্যাল্পে লাগানো গেলে খুশকি কমে যায় এবং স্ক্যাল্পের pH মানের ভারসাম্য বজায় থাকে।

৪. পেঁয়াজের রস – পেঁয়াজে থাকে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান সালফার কম্পাউন্ড যা শরীরে দ্রুত রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দিয়ে মাথায় নতুন চুল গজাতে সাহায্য করে।

৫. সালফেটমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু – বাজারে কড়া রাসায়নিকযুক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার না করে প্রাকৃতিক উপাদান সমৃদ্ধ শ্যাম্পুকে ব্যবহারের জন্য বেছে নিন।

৬. মিনোক্সিডিল ব্যবহার – দক্ষ ও সার্টিফাইড চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী মিনোক্সিডিল টপিক্যাল সলিউশন ব্যবহার করা যেতে পারে, এটা একটা ভালো সল্যুশন। এটি ব্যবহার করে অনেক ক্ষেত্রে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

৭. PRP থেরাপি – আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে Platelet-Rich Plasma (PRP) থেরাপি অনেক জনপ্রিয়। এখন অনেকে এই পদ্ধতি গ্রহণ করছেন, তবে এটি অবশ্যই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হওয়া উচিত। 

মাথার চুলের জন্য কোন তেল ভালো:

চুলের যত্নে সঠিক তেল নির্বাচন করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নিচে চুলের জন্য পকারী  সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর কয়েকটি তেল নিয়ে আলোচনা করা হলো:

১. নারকেল তেল:
সাধারণত নারকেলের তেল চুলের গভীরে প্রবেশ করে প্রোটিন লস কমিয়ে দেয় এবং চুলকে ভেতর থেকে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। এটি বর্তমানে সবচেয়ে সহজলভ্য ও কার্যকর তেলগুলোর একটি।
২. কালোজিরার তেল:
কালোজিরায় থাইমোকুইনোন নামক একটি রাসায়নিক উপাদান থাকে, যা চুল পড়া রোধ করে এবং নতুন চুল গজাতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
৩. আমলকী তেল:
ভিটামিন সি সমৃদ্ধ আমলকী তেল চুলের গোড়া মজবুত করতে সাহায্য করে থাকে এবং অকালে চুল পাকা রোধে এটি সাহায্য করে।
৪. ক্যাস্টর অয়েল:
ঘন ও প্রায় জেলের মতো দেখতে বহুল জনপ্রিয় এই তেল চুলকে ঘন কালো ও লম্বা করতে সহায়তা করে, তবে এটি একটু মোটা হওয়ার কারণে হালকা তেলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
৫. অলিভ অয়েল:
সাধারণত অলিভ ওয়েলে থাকা রাসায়নিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট চুলে আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং রুক্ষতা  ভাব অনেক কমিয়ে দেয়।
৬. রোজমেরি অয়েল:
সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে রোজমেরি অয়েলও বেশ জনপ্রিয় ও আলোচিত তেলে পরিণত হছে, যা স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গোড়া শক্তু ও  বৃদ্ধিতে সহায়তা করে বলে ব্যবহারকারীরা দাবি করে থাকেন।
৭. তেল ব্যবহার করার ক্ষেত্রে একটি সাধারণ নিয়ম হচ্ছে— হালকা গরম তেল আঙুলের ডগা দিয়ে বৃত্তাকারভাবে মালিশ করতে থাকা এবং কমপক্ষে সারারাত রেখে পরদিন মৃদু শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলা।

মাথার চুল ঘন করার উপায়:

চুলকে ঘন, কালো ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল করে তুলতে নিচের পদ্ধতিগুলো নিয়মিত অনুসরণ করা যেতে পারে:

☑১. নিয়মিত স্ক্যাল্প ম্যাসাজ থেরাপি রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে, ফলে চুলের ফলিকল সক্রিয় থাকে।

☑২. ডিম-দই-মধুর হেয়ার প্যাক ব্যবহার করুন। সপ্তাহে একবার এই প্যাক ব্যবহার করলে চুলে প্রয়োজনীয় প্রোটিন ও প্রাকৃতিক পুষ্টি উপাদান যোগ হয়।
☑৩. পেঁয়াজের রস প্রয়োগ করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।  নিয়মিত ব্যবহার করলে মাথায় নতুন চুল গজানোর হার অনেকাংশে বৃদ্ধি পায়।
☑৪. পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করুন – শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে চুলও শুষ্ক ও প্রাণহীন হয়ে পড়ে। তাই পানি পানের বিকল্প নেই।
☑৬. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস গড়ে তুলুন। যেমন: ডিম, মাছ, ডাল, বাদাম নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যুক্ত করুন।
☑৭. বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করতে পারেন। চিকিৎসকের পরামর্শে বায়োটিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে এটি চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
☑৮. নিয়মিত ট্রিমিং করুন বা চুল কাটুন। প্রতি ৬-৮ সপ্তাহে একবার করে চুলের আগা কাটলে ডগা ফাটা রোধ হয় এবং এতে চুল ঘন হয়ে যায়।

মাথার চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা, পুষ্টির অভাব থেকে শুরু করে মানুষের হরমোনজনিত পরিবর্তন, মানসিক চাপ কিংবা ভুল হেয়ার কেয়ার অভ্যাস ইত্যাদি নানা কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়। সঠিক যত্ন নিশ্চিত, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস তৈরি , উপযুক্ত তেল ও প্রোডাক্ট নির্বাচন করা এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী চললে এই সমস্যা অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে একথা মনে রাখতে হবে, চুলের স্বাস্থ্য রাতারাতি ঠিক হওয়ার মতো বিষয় না— ধৈর্য সহকারে নিয়মিত যত্ন নিতে পারলে ভালো ফলাফল আশা করা যায়। তবে এই সমস্যা যদি দীর্ঘস্থায়ী, তীব্র বা অস্বাভাবিক হয়ে থাকে তাহলে অবশ্যই একজন ডার্মাটোলজিস্ট বা ট্রাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে সেই অনুযায়ী জীবনধারণ করা উচিৎ।কারণ মানুষভেদে চুল পড়ার কারণ ও সমাধান ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

Post a Comment

Previous Post Next Post