ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ ইতোমধ্যে তার শেষ মুহূর্তে এসে পৌঁছেছে। প্রথমবারের মতো বিশ্বের মতো ৪৮টি দল নিয়ে আয়োজিত এবারের FIFA World Cup টুর্নামেন্টের ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ফুটবল জগতের দুই পরাশক্তি—আর্জেন্টিনা ও স্পেন। একদিকে লিওনেল মেসির নেতৃত্বে দ্বিতীয়বারের মতো শিরোপা ধরে রাখার লড়াই, অন্যদিকে তরুন খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামালের স্পেন প্রথমবারের মতো দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয় করার স্বপ্ন বুনছে। একই সাথে জমে উঠেছে নতুন আলোচনা: গোল্ডেন বুট জয়ের লড়াইও—সমান ০৮ গোল থাকলেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে দুটি গোল অ্যাসিস্ট করে কিলিয়ান এমবাপ্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন Lionel Messi । এই প্রতিবেদনে ফাইনাল ম্যাচের সময়সূচি, ভেন্যু, আর্জেন্টিনা vs স্পেনের Head to Head লড়াইয়ের পরিসংখ্যান এবং গোল্ডেন বুট রেসের সর্বশেষ অবস্থা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
বিশ্বকাপ ফাইনাল কবে? সময়সূচি ও ভেন্যু:
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ( FIFA World Cup 2026) ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ১৯ জুলাই, রবিবার, যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যের ইস্ট রাদারফোর্ড মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।এটি নিউ ইয়র্ক নিউ জার্সি স্টেডিয়াম নামেও সমধিক পরিচিত। স্থানীয় সময় বিকেল ৩.০০ টায় (পূর্বাঞ্চলীয় সময়) ম্যাচটি শুরু হবে, যা যুক্তরাজ্যের সময় অনুযায়ী রাত ৮.০০টা এবং বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী রাত ১.০০ টা। এই ভেন্যুটি NFL's New York Giants এবং জেটস দলের ঘরের মাঠ হলেও পুরো বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট জুড়ে এখানে এ পর্যন্ত মোট সাতটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এবারের ফাইনালের ইংরেজি সম্প্রচার হবে FOX Channel এ, আর স্প্যানিশ ভাষার সম্প্রচার হবে Telemundo ও Peacock প্ল্যাটফর্মে। উক্ত ম্যাচের আগে সুপার বোল ঘরানার একটি জমকালো হাফ-টাইম শো অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছে ফিফা কর্তৃপক্ষ, যেখানে থাকবেন ম্যাডোনা, জাস্টিন বিবার, শাকিরা, বার্না বয়সহ একাধিক বিশ্বখ্যাত তারকা।
আর্জেন্টিনা বনাম স্পেন: প্রথমবারের ফাইনাল দ্বৈরথ
ফুটবল ইতিহাসে বিশ্বকাপ মঞ্চে প্রথমবারের মতো মুখোমুখি হতে যাচ্ছে আর্জেন্টিনা ও স্পেন। এর আগে সর্বশেষ ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দল দুটি মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে আর্জেন্টিনা স্পেনের বিপক্ষে ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় পেয়েছিল। অন্যদিকে ২০১৮ সালে মাদ্রিদে হওয়া প্রীতি ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ৬-১ গোলের বিশাল জয় পেয়েছিল স্পেন। আর্জেন্টিনা ও স্পেন এখন পর্যন্ত মোট ১৪ বার মুখোমুখি হয়েছে এবং উভয় দলই ৬টি করে জয় পেয়েছে এবং ড্র হয়ছে ২ টি ম্যাচে । তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে এবারই প্রথম তারা ফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, যা এই ম্যাচকে করে তুলেছে ঐতিহাসিকভাবে অনন্য। দুই দলের মধ্যে ২০২৪ সালে উয়েফা ইউরো ও কোপা আমেরিকার জয়ী দল হিসেবে জোড়েসোরে একটি ফিনালিসিমা ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল, কিন্তু নিরাপত্তাজনিত কারণে তা বাতিল হয়ে গিয়েছিল। ফলে এই বিশ্বকাপ ফাইনালই হতে যাচ্ছে দুই দেশের মধ্যে কোনো বড় আন্তর্জাতিক শিরোপা নির্ধারণী প্রথম লড়াই।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা এবার তাদের লক্ষ্য স্থির করেছে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি করার, ইতিহাস গড়ার। ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালের পরপর দুইটি বিশ্বকাপে শিরোপা নিশ্চিত করেছিলেন ব্রাজিল। এবার ১৯৭৮, ১৯৮৬ ও ২০২২ সালের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার সামনে চতুর্থ শিরোপা হাতছানি দিচ্ছে। সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নাটকীয়ভাবে ২-১ গোলে জয় পায় আর্জেন্টিনা—পুরো ম্যাচে পিছিয়ে থেকেও শেষে মুহুর্তে মেসির জাদুতে এনজো ফার্নান্দেজ ও লাউতারো মার্টিনেজের গোলে ম্যাচের জয় পায় দলটি, দুটি গোলেই অ্যাসিস্ট করেন বিশ্বসেরা ফুটবলার লিওনেল মেসি। অন্যদিকে ইউরোপের এক নম্বর দল হিসাবে স্পেন এই মুহূর্তে ফর্মের তুঙ্গে রয়েছে। ২০১০ সালে বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন এবারের আসরে সেমিফাইনালে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা ও শক্তিশালী দল ফ্রান্সকে হারিয়ে ফাইনালে নিশ্চিত করেছে। Lamine Yamal কে সামনে রেখে দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে স্প্যানিশরা।
গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে কে এগিয়ে?
এবার টুর্নামেন্টে তৃতীয় স্থানে রয়েছেন নরওয়ের Erling Haaland। তার গোলসংখ্যা ০৭—যদিও তার দল নরওয়ে ইতোমধ্যে টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে পড়েছে। ইংল্যান্ডের অধিনায়ক Harry Kane ও তার সতীর্থ Jude Bellingham ছয়টি করে গোল নিয়ে আরও এক ধাপ পেছনের কাতারে রয়েছেন। ফ্রান্সের বিপক্ষে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন হ্যারি কেইন, এর ফলে এখনো টিকে আছে তার গোল্ডেন বুট জেতার ক্ষীণ সম্ভাবনা, তবে এখন তা আরও কঠিন হয়ে গেছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এমবাপ্পেও খেলবেন তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচটি। যেহেতু ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আরেকটি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকছে, সেহেতু গোল করলেই তিনি গোলসংখ্যায় মেসিকে ছাড়িয়ে যেতে পারবেন। অর্থাৎ এখন পর্যন্ত মেসি এগিয়ে থাকলেও লড়াই কিন্তু পুরোপুরি শেষ হয়নি—তাই চূড়ান্ত ফলাফল হাতে আসবে ফাইনাল ম্যাচ ও তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হওয়ার পরেই।
এবারের আসরে সম্পূর্ণ গোলদাতা তালিকা: শীর্ষ থেকে
সেমিফাইনাল শেষে এ পর্যন্ত ২০২৬ বিশ্বকাপের গোলদাতাদের তালিকা এখন অনেকটাই স্পষ্ট। শীর্ষ কয়েকজনের গোলদাতার অবস্থান নিচে তুলে ধরা হলো—
Kylian Mbappé (France) — 8 goals, 3 assists
Erling Haaland (Norway) — 7 goals (his team has been eliminated)
Harry Kane (England) — 6 goals
Jude Bellingham (England) — 6 goals
Ousmane Dembélé (France) — 5 goals, including a hat-trick against Norway in the group stage
Mikel Oyarzabal (Spain) — 5 goals
Cristiano Ronaldo (Portugal) — 3 goals; his tournament ended after Portugal were eliminated by Spain.
লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে হালান্ড ৭ গোল নিয়েও নরওয়ে দলটি বাদ পড়ায় গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ আর নেই। একইভাবে ক্রিশ্চিয়ানা রোনালদোরও টুর্নামেন্ট শেষ হয়ে গেছে। তারও সুযোগ নাই। ফলে কার্যত গোল্ডেন বুট জেতার বাস্তব সম্ভাবনা টিকে আছে কেবল মাত্র তিনজনের সামনে—মেসি, এমবাপ্পে এবং সামান্য বা ক্ষীণ সম্ভাবনা নিয়ে তালিকায় আছেন কেইন বা বেলিংহাম, যারা তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলার সুযোগ পাবেন।
শুধু গোল নয়, সামগ্রিক প্রভাবেও এগিয়ে কে?
এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট হয়, মেসি ও এমবাপ্পে দুইজনেই এই বিশ্বকাপ টুর্নামেন্টে ব্যক্তিগতভাবে সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড়—তারা খেলাশ শুধু নিজেরাই গোল করেননি, বরং সতীর্থদের দিয়েও গোল করিয়েছেন রেকর্ড পরিমাণ। এটাই তাদেরকে বাকিদের থেকে আলাদা করে দিয়েছে।
ইতিহাসের আলোকে বিশ্লেষণ: এবার কি মেসির প্রথম গোল্ডেন বুট ?
মজার বিষয় হলো, এত সাফল্যের পরও মেসির ক্যারিয়ারে কখনো গোল্ডেন বুট জেতা হয়নি। অর্থাৎ, Lionel Messi has won a record 6 European Golden Shoe awards over his career, but has not won the FIFA World Cup Golden Boot.
২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে মেসি ০৭ গোল করে শিরোপা জিতলেও এমবাপ্পে ফাইনালে হ্যাট্রিকের মাধ্যমে মোট আট গোল করে গোল্ডেন বুট নিয়ে যার। এবার পরিস্থিতি একেবারোই উল্টো—মেসি এখনও টাইব্রেকারে এগিয়ে, আর এমবাপ্পেকে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে গোল করে ঘুরে দাঁড়াতে হবে যা অনেকটাই কঠিন। যদি মেসি সত্যিই এবার গোল্ডেন বুট জিতে যান, তাহলে তা হবে তার ক্যারিয়ারের একমাত্র প্রাপ্তি যা এখনো তার পাওয়া হয় নাই। বিশ্বকাপ শিরোপা (১ বার) , ব্যালন ডি'অর (আটবার), গোল্ডেন বল—প্রায় সব অর্জনই তার ঝুলিতে আছে, শুধুমাত্র গোল্ডেন বুটটাই বাকি। ফলে এই ফাইনাল তার জন্য শুধু দলগত সাফল্যের মানদণ্ড নয়, বরং ব্যক্তিগত ইতিহাস সম্পূর্ণ করারও মঞ্চ বটে।
আরেকটি বিশ্লেষণের দিক হচ্ছে বয়স। ৩৯ বছর বয়সে এসেও লিওনেল আন্দ্রেস মেসি যেভাবে ধারাবাহিকভাবে গোল ও অ্যাসিস্ট করে বিশ্ববাসীকে তাক লাগিশে দিচ্ছেন, ইতিহাসে তা অত্যন্ত বিরল। স্বাভাবিকভাবেই এই বয়সে খেলোয়াড়দের গতি ও ফিনিশিং সক্ষমতা অনেকটা কমে আসে, কিন্তু মেসি তার খেলার ধরন বদলেছে। তিনি মিডফিল্ড থেকে বেশি বল বিতরণসহ পাসিংয়ের ওপর নির্ভর করে নিজের কার্যকারিতা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন—যা তার চারটি অ্যাসিস্ট থেকেই স্পষ্ট প্রমাণ মিলে।
কে পাবে গোল্ডেন বুট: বিশ্লেষণ
বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে স্বাভাবিকভাবে মেসিকেই এগিয়ে রাখতে হয়।প্রতিদ্বন্দ্বির সাথে সমান আট গোলে থাকলেও তার অ্যাসিস্ট সংখ্যা বেশি হওয়ায় এগিয়ে আছে লিও।টাইব্রেকারে তিনিই লিড নিয়ে আছেন।গত আসরের মতো এমবাপ্পে কে গোল্ডেন বুট পুনরুদ্ধার করতে হলে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে খেলে অন্তত একটি গোল করেই তবে মেসিকে গোলসংখ্যায় ছাড়িয়ে যেতে হবে। অন্যদিকে মেসি যদি ফাইনালে মাত্র একটি গোল বা অ্যাসিস্টও করেন তাহলে এই ব্যবধান আরও অনেক বেড়ে যাবে এবং প্রথমবারের মতো গোল্ডেন বুট ঘরে আনা প্রায় নিশ্চিত করবেন বিশ্বজয়ী এই তারকা।
তবে ফুটবলে অনিশ্চয়তাই নিয়ম—ফ্রান্স কোচ যদি কোনো কারণে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে এমবাপ্পেকে মাঠের বাইরে রাখেন , তাহলে তার আর গোল্ডেন বুট জেতার সুযোগ একেবারে থাকবে না। আবার অন্যদিকে স্পেনের রক্ষণ এই টুর্নামেন্টে অসাধারণ পারফর্ম্যান্স দেখিয়েছে, এখন পর্যন্ত মাত্র ০১ টি গোল হজম করেছে তারা—তাই ফাইনাল ম্যাচেও মেসির জন্যওগোল বা অ্যাসিস্ট বের করা খুব সহজ হবে না বলে মনে হচ্ছে। কেইন বা বেলিংহামের গোল্ডেন বুট জেতার সম্ভাবনা একেবারে প্রায় শূন্যের কাছাকাছি, কারণ মাত্র একটি ম্যাচ খেলে তাদের পক্ষে ছয় গোল থেকে নয় গোল করা একেবারে কঠিন ও প্রায় অসম্ভব। সব মিলিয়ে বর্তমান পরিসংখ্যান স্পষ্টভাবেই মেসির পক্ষে কথা বলছে, আর তিনিই এখন পর্যন্ত গোল্ডেন বুট জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার। পরিসংখ্যান তাই বলছে।
লিওনেল মেসির পরিসংখ্যান:
ইতিহাসের সর্বকালের সেরা রেকর্ড ২০২৬ সালের কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসি যা করে দেখিয়েছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে এখন বিরল হয় আছে। ৩৯ বছর বয়সেও তিনি বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসন লাভ করেছেন, এই টুর্নামেন্টে প্রবেশের পূর্বে তিনি জার্মান কিংবদন্তি খেলোয়ার মিরোস্লাভ ক্লোজারের করা সর্বোচ্চ ১৬ গোলের রেকর্ড থেকে তিন গোল পিছিয়ে ছিলেন।কিন্তু বর্তমানে মেসির ক্যারিয়ারয়ে মোট বিশ্বকাপ গোলসংখ্যা ২১, যা তাকে এক্ষেত্রেও একক শীর্ষস্থানে বসিয়েছে—এমবাপ্পে ঠিক তার পেছনে মোট ২০ টি গোল নিয়ে ২য় অবস্থান করছেন।
চলতি টুর্নামেন্টে লিওনের মেসির পারফরম্যান্স ছিল ধারাবাহিক, অক্ষুণ্ন ও অত্যন্ত প্রভাবশালী। প্রথম দিকের গ্রুপ পর্ব থেকে শুরু করে শেষ নকআউট রাউন্ড পর্যন্ত তিনি গোল্ডেন বুট রেসের শীর্ষে নিজেকে ধরে রেখেছেন। সর্বশেষ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নিজে গোল করতে না পারলেও তার করা দুইটি অসাধারণ অ্যাসিস্ট দলকে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে তুলে দিয়েছে। বর্তমানে তার মোট আটট গোল ও চারটি অ্যাসিস্ট তাকে এই আসরের সবচেয়ে প্রভাবশালী খেলোয়াড় করে রেখেছে। মেসির জন্য এই বিশ্বকাপ বিশেষ কারণ,গত ২০২২ সালে কাতার বিশ্বকােপে শিরোপা জয়ী হওয়া পর টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ জয় করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি এবং একইসঙ্গে গোল্ডেন বুট জেতার কৃতিত্ব প্রায় হাতের নাগালে। এমন সব বিরল।কীর্তি ও অর্জন ফুটবল ইতিহাসে বিরল, আর যদি তিনি এবার সফল হন, তবে তা হবে মেসির ক্যারিয়ারের মুকুটে সবচেয়ে উজ্জ্বল পালকগুলোর একটি হিসেবে।




osahdaron
ReplyDeletePost a Comment